শিক্ষার্থীরা তাদের ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে Fee Payment [Student] বাটনে ক্লিক করবে।

প্রতিষ্ঠাতাঃ মরহুম জনাব কফিল উদ্দিন আহমেদ
চন্দ্রগঞ্জের কৃতি সন্তান, শিক্ষানুরাগী ও বরেণ্য ব্যক্তি জনাব কফিল উদ্দিন আহমেদের হাত ধরে ১৯৭২ সালে কফিল উদ্দিন কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়ে গত ৫৩ বছর ধরে সুনামের সাথে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে।




স্বভাপতিঃ জনাব মো: শহীদ উদ্দীন চৌধুরী (এ্যানি)
শুভেচ্ছাবার্তা
প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ এবং অভিভাবকবৃন্দ, কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সভাপতি হিসেবে আমি আপনাদের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। আমাদের কলেজটি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে এবং এ অঞ্চলের শিক্ষার মান উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে।
আমাদের কলেজের লক্ষ্য শুধু শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জ্ঞান দান করা নয়, বরং তাদের নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং নৈতিক মানদণ্ডের বিকাশ ঘটানো।
আমরা বিশ্বাস করি যে, শিক্ষার প্রকৃত অর্থ হচ্ছে একজন শিক্ষার্থীকে একজন সৎ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। আমাদের প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই মূল্যবোধগুলো বপন করতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন আমাদেরকে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করছে। আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য প্রযুক্তিগত ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনে আমরা উৎসাহিত করছি। আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যৎ গঠন করতে আমরা সচেষ্ট থাকব। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন সফল করতে তাদের অভিভাবকদের সহযোগিতা অপরিহার্য। তাই আমরা অভিভাবকদের আহ্বান জানাচ্ছি যে, তারা নিয়মিতভাবে তাদের সন্তানদের শিক্ষাজীবনের প্রতি মনোযোগ দিন এবং আমাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করুন।
অবশেষে, আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দের প্রতি, যারা তাদের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ মানের শিক্ষা প্রদানে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সাথে, শিক্ষার্থীদেরকে কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আসুন আমরা সকলে মিলে আমাদের কলেজকে আরও উন্নতির পথে নিয়ে যাই এবং একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষঃ জনাব প্রিয়ব্রত চৌধুরী
শুভেচ্ছাবার্তা
সম্মানিত অভিভাবকগণ, প্রিয় শিক্ষার্থী এবং সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, আসসালামু আলাইকুম। লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানায় অবস্থিত কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যা শিক্ষার আলো ছড়িয়ে জাতি গঠনের দায়িত্ব পালন করে চলেছে।
এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা শুধু শিক্ষার প্রসার ঘটাচ্ছি না, বরং নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং নেতৃত্ব গুণাবলী বিকাশেও কাজ করছি। আমি গভীর আনন্দ এবং গর্বের সঙ্গে জানাতে চাই যে, এই কলেজটি আমাদের এলাকায় শিক্ষার মান উন্নয়নে অসাধারণ ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষকদের আন্তরিকতা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতায় এই প্রতিষ্ঠানটি আজ একটি মডেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে।
কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থীরা নিয়মিতভাবে বোর্ড এবং জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন করছে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।
আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক পাঠক্রম, উন্নত শিক্ষার পরিবেশ এবং সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম নিশ্চিত করার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি যে, আমাদের প্রিয় শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে।
আমাদের লক্ষ্য হলো প্রতিটি শিক্ষার্থীকে এমনভাবে গড়ে তোলা যাতে তারা শুধু নিজে আলোকিত হয় না, বরং সমাজেও আলোকিত মানুষ তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
পরিশেষে, এই কলেজের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাই। আপনারা আমাদের পাশে থাকলে আমরা আরও উচ্চতায় পৌঁছাতে সক্ষম হবো।
জরুরী নোটিশ

পরিবেশগত দিক থেকে কলেজের অবস্থান অতন্ত্য সুন্দর। উত্তর পাশে মেঘনা সংযোগ খাল, মহাসড়ক খালের পাড়ে, সারিবদ্ধ পরিকল্পিত ফলজ, বনজ, ঔষধী গাছের বাগান ছাত্রাবাস, শিক্ষক আবাসন পূর্বে পাশে দ্বিতল বিশিষ্ঠ দালান, দালানের ঠিক চারিদিকে সবুজ বনায়ন সমৃদ্ধ বিশাল এক পুকুর, শান বাধানো ঘাট, নীল জলরাশি অনেককেই বিমোহিত করে। দক্ষিণ পাশে দ্বিতল, তিনতলা বিশিষ্ট দালান নৈসর্গিক পরিবেশ দান করেছে। মাঝখানে বিশাল আকৃতির মাঠ। আর এ মাঠেই অঞ্চলের প্রতিভু খেলোয়াড়দের দক্ষতার পরিচয় ঘটে। প্রতিনিয়তই পশ্চিম পাশে দ্বিতল বিশিষ্ট হলুদ রঙ্গে আবৃত কলেজ মসজিদ এ কলেজের পরিবেশকে নতুন রঙ্গে সাজিয়ে দিয়েছে।
কলেজের শ্রেণী কক্ষের ভৌত অবকাঠামো একতলা দালান ৬০০ বর্গফুট, দোতলা দালান ১০০০ বর্গফুট, তিন তলা দালান ৪৫০০ বর্গফুট, খেলার মাঠ ৮৪,৫০০ বর্গফুট, পুকুর ৮০০০০ বর্গফুট। এছাড়া রয়েছে ছাত্রাবাস, শিক্ষক আবাসন, অধ্যক্ষের বাসভবন।